‘এই ফ্রান্সকে থামাবে কে?’ — প্রশ্নটাকে তো এখন হাস্যকর শোনাচ্ছে! যে দলটা বিশ্বকাপ জিততে এসেছিল, সেই দলটাই তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচের শুরুর অর্ধে হজম করে বসেছে ৪ গোল! ইংলিশরা যেন রীতিমতো ছেলেখেলা করছে ফ্রান্সকে নিয়ে।
চতুর্থ গোলটায় দলের রক্ষণের যে অবস্থা হলো, সেটাই যেন পুরো দলের মানসিকতাকে তুলে ধরছে। মাঝমাঠ থেকে একটা পাস দিয়েছিলেন এজে। দুই ফ্রেঞ্চ ডিফেন্ডারের মাঝে দূরত্বটা ছিল অনেক বেশি, বলটা গিয়ে ঢুকল সেদিক দিয়েই, সেটা গিয়ে পড়ল বুকায়ো সাকার পায়ে। আর সেটাই প্রথম ছোঁয়ায় ফরাসিদের জালে জড়িয়ে দিলেন ইংল্যান্ডের ফরোয়ার্ড। ইংল্যান্ড ৪-০ ফ্রান্স!
৩৭ মিনিটে দারুণ এক কাউন্টার অ্যাটাকে উঠে এসেছিল ইংল্যান্ড। তবে রাশফোর্ডের শুরুর শটটা ঠেকিয়ে দেন মাইক মেনিয়ঁ। তবে বুকায়ো সাকার ফিরতি সুযোগটায় তিনি ছিলেন অসহায়, তার রক্ষণও তাকে বাঁচাতে পারেনি। তৃতীয় গোল হজম করে বসে ফ্রান্স।
খেলার ১৭ মিনিটে কর্নার থেকে গোল পায় ইংলিশরা। রাইসের দারুণ এক কর্নারে মাথা ছুঁইয়ে পুরো ফ্রান্স রক্ষণকে ফাঁকি দিয়ে বলটা জালে জড়ান এজরি কনসা।
শুরু থেকেই ফ্রান্সকে নিয়ে ছেলেখেলা শুরু করে ইংলিশরা। ঘড়ির কাটায় ৩ মিনিট হয়ওনি। ২ মিনিট ৪০ সেকেন্ডের মাথায় ইংলিশদের এগিয়ে দিলেন ডেকলান রাইস। দেজিরে দুয়ের হারানো বল ধরে গিয়ে ফ্রান্স গোলমুখে আক্রমণ করেন রাইস, তার শট গিয়ে আছড়ে পড়ে জালে। এগিয়ে যায় ইংলিশরা।

